আফরাজ আফরাজ
লিখেছেন সিটিজি৪বিডি ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৩, ০৬:৫১ সন্ধ্যা
আফরাজ আফরাজ
শোন আমার বাপজান
এখন তুমি সবার কোলে কোলে
তাইতো তোমার বুবু আছে রেগে
তোমার দাদী তোমার অপেক্ষায়
তাড়াতাড়ি যাও বাসায়।
আল্লাহর সাহায্য আসবে..... যদি আমরা চাইতে জানি
লিখেছেন চাটিগাঁ থেকে বাহার ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৩, ০৩:৪৮ দুপুর
(একটি আসমানী মেসেজ পরিবেশনা)
সূরা ফাতেহার ৪নং আয়াতে বলা হয়েছে ‘‘আমরা শুধু তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই নিকট সাহায্য প্রার্থনা করি’’ ।
মুসলমানেরা দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে ফরজ, ওয়াজিব এবং সুন্নাতে মুয়াক্কাদায় প্রতিদিন ৩২বার সূরা ফাতেহা পাঠ করে। এটা দৈনিক প্রতিজনের পাঠকৃত সূরা ফাতিহার সর্বনিম্ন সংখ্যা।
তাহলে আমরা কমপক্ষে আল্লাহর সামনে পবিত্র শরীর-মন, আর পবিত্র...
আমার জীবনের ৬ই ডিসেম্বরগুলো
লিখেছেন মিশেল ওবামা বলছি ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৩, ০১:২৫ দুপুর
৫ই ডিসেম্বর দিনগত রাত, ঠিক ১২টার পরে, অর্থাৎ যখন ৬ই ডিসেম্বর শুরু, তখনি দেখি বাবার ফোন। কুশল বিনিময় সেরে হটাৎ বাবা বলছে, মামানি আজকে না আমার খুব কেক খেতে ইচ্ছে করছে। আমি খুব অবাক হয়ে বললাম, তাহলে তো তোমাকে চিনি ছাড়া কেক বানিয়ে দিতে হবে। কারন বাবার ডায়বেটিস। আমাকে আরো অবাক করে দিয়ে বাবা বলতে লাগলো, ''আজকের দিনে আমাদের ঘর আলোকিত করে কে যেন এসেছিলো তার জন্য অনেক অনেক দোয়া আর শুভকামনা...
একটি মারাত্মক প্রেমের গান
লিখেছেন বাকপ্রবাস ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৩, ১২:০৭ দুপুর
তুমি যখন খুব কাছাকাছি আসতে
আমি চাইনি ভাল বাসতে
কি করে কি হয়ে গেল
জানিনা কি হয়ে গেল
তখনো আমি পারিনি কিছু বুঝতে
তখনো আমি চাইনি ভাল বাসতে।
গল্প ও দৃষ্টির কথোপকথন
লিখেছেন কানিজ ফাতিমা ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৩, ০৭:৪১ সকাল
গল্প: তুমি তখন জন্মাও নি , তোমার বাবা মাও হয়ত বালক বালিকা , তখনকার কথা বলছি। আমরা বাংলাদেশের নারীদের ইজ্জত বাচাতে অস্র হাতে নিয়েছি .....
দৃষ্টি : কদিন আগে খবরের কাগজে দেখলাম জাহাঙ্গীর নগরের মানিক বাংলাদেশের নারী উপভোগের শততম উত্সব করলো। তার কি করলা?
গল্প: রাখো এসব কথা , আমার গল্প শোনো। আমরা বাংলাদেশের মানুষকে গণতন্ত্র দেবার জন্য, নির্বাচনের অধিকার দেবার জন্য রক্ত দিয়েছি।
দৃষ্টি...
ক্লেশ
লিখেছেন গোলাম মাওলা ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৩, ১০:৫২ রাত
ক্লেশ
============================
এলোমেলো জীবনে
কাল বাতাস বয়েছে,
ঝড়ো বৃষ্টি হয়েছে।
দমকা বাতাসে
প্রেম যেন এমনই হয়-২১
লিখেছেন প্রগতিশীল ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৩, ১০:৪১ রাত
স্কাইপিতে অনেক কথা হল রতন আর সঞ্চিতার। সময় এখন দুটি মানুষের মাঝে কোন দূরত্বই রাখে নি। প্রযুক্তির ছোঁয়ায় আজ আর কোন কিছুই দূরে নেই। সবই কাছাকাছি তার পরও ৩৬৫ দিনেরও বেশি সময়ের একটা বড় দূরত্ব তৈরী হয়েছে রতন আর সঞ্চিতার। এ দূরত্ব রতন আর সঞ্চিতাকে আরও কাছের মানুষ করেছে। দুজনেই বুঝতে পেরেছে দুজনকে। ক্ষণিকের আবেগের বীজ থেকে জন্ম নিয়েছে ভালবাসার এক বিশাল বৃক্ষ। যার শিকড়ও অনেক...
অন্ধ বাবাকে এই সুন্দর পৃথিবীর সৌন্দর্য দেখালেন ছেলে
লিখেছেন সত্যলিখন ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৩, ০৪:২৬ বিকাল
ঘটনাটি রাশেদ নামের এক ব্যাক্তির। তিনি যেমনটি বলছিলেন…
আমার স্ত্রী যখন প্রথম সন্তানের মা হল তখন আমার বয়স তিরিশের বেশি হবে না। আজও আমার সেই রাতটার কথা মনে আছে।
প্রতিদিনের অভ্যাস মতো সেদিনও সারারাত বন্ধুদের সাথে বাড়ির বাইরে ছিলাম। সারাটা রাত কেটেছিল যতসব নিরর্থক আর অসার কথাবার্তা, পরনিন্দা, পরচর্চা এবং লোকজনকে নিয়ে ঠাট্টা তামাশা আর মজা করে। সবাইকে হাসানোর কাজটা মুলত...
যাকে খুজে বেড়ায় কোথায় পায় তারে
লিখেছেন সত্য নির্বাক কেন ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৩, ০২:২৯ দুপুর
"বিশ্ববিদ্যালয়ের দিনগুলো মনে পড়ে। কলাভবনে বসন্ত উৎসবের নাম করে ভবিষ্যৎ কপোতদম্পতি হাতে হাত ধরে ঘুরে বেড়াচ্ছে আর আমরা ব্যাকটেরিয়ার কনজুগেশন পড়েই কাহিল। ক্লাস, পরীক্ষা, প্র্যাকটিকাল আর ল্যাবরিপোর্ট লেখার যন্ত্রণার মাঝের সময়টা বন্ধুদের সাথে কাটত। বিকেলে-সন্ধ্যায় টুইশনি। রাতে বিধস্ত অবস্থায় যখন বাসায় ঢুকি তখন মন নিয়ে ভাবনার সময় মিলত না খুব। অর্থহীন শতেক...
জানাজা৷
লিখেছেন শেখের পোলা ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৩, ১০:৩৬ সকাল
‘জানাজা’
একি বিষ্ময়! শত নয় হাজারে হাজার,
জানাজায় খাড়া হল কাতারে কাতার৷
স্বদেশ বিদেশ আজ হল একাকার৷
জানাজা হল যার তিনি নাকি রাজাকার৷
চরাচরে আছে কে বলে দেবে মোরে,
সেচ্ছায় এল নাকি নিয়ে এল ধরে৷
ডগীর ঘর
লিখেছেন কানিজ ফাতিমা ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৩, ১০:১৯ সকাল
ঠান্ডার জন্য গতসপ্তাহে স্কুল বন্ধ ছিল দুইদিন। এ এলাকার নিয়ম হল তাপমাত্রা মাইনাস ৪০ এর নীচে গেলে স্কুল বন্ধ থাকে। মা-ই-না -স ফো-র -টি! জীবনেও উপলব্ধি করি নাই। বাসা থাকে স্কুল এক মিনিটের হাটা পথ; হিজাবের উপরে হুডি, তার ওপরে ভারী কুশনের টুপি, তার উপরে জ্যাকেটের হুড , নাকে উলের নাক ঢাকা , সর্বপরে চশমা - তারপরও মনে হয় চোখ ঠান্ডায় জমে যাবে।
এত ঠান্ডায় কুকুরগুলো কিভাবে যে বাঁচে আল্লাহই...
দৈত্যের প্রাণ বধ
লিখেছেন জেরিন সরকার ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৩, ০২:১২ রাত
রূপকথার গল্পে এক দেশে এক দৈত্য ছিল, সেই দৈত্য প্রতিদিনই সকাল-দুপুর-রাত দেশের মানুষকে হত্যা করে খেয়ে ফেলতো। দেশের সব সাহসী মানুষ দৈত্যকে মারার চেষ্টা করেও মারতে পারলনা। দৈত্যের হাত-পা-মাথা কেটে দিলে আবার সব গজিয়ে যেত, শরীরকে দুইভাগ করে দিলেও আবার শরীর জোড়া লেগে যেত। যে তাকে মারতে যেত তাকেই সে খেয়ে ফেলত। তারপর একদিন এক সাধু আসল, সাধু সব শুনে বললেন কেউ তাকে আর মারতে যাবে না। এই...
আখদান
লিখেছেন বাকপ্রবাস ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৩, ১১:০৩ রাত
আখদান আখদান
দেখাও দেখি মুখখান
আহা কি মিষ্টি
অপলক দৃষ্টি
আখদান আখদান
প্রেম যেন এমনই হয়-২০
লিখেছেন প্রগতিশীল ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৩, ১১:০২ রাত
সকাল থেকেই ব্যস্ত রতন। রিদিতার কাছ থেকে টাকা নিয়েই সে তার প্রয়োজনীয় কাজ গুলো সেরে নিয়েছে। এখন ভয়ে তার বুক কাঁপছে কিভাবে সে সঞ্চিতাদের বাসায় যাবে ? কী কথা বলবে তাদের সাথে ? ইন্টারভিউ দিতে যাওয়া কোন চাকরী প্রত্যাশী যুবকও বোধহয় এত দুশ্চিন্তা গ্রস্থ হয় না। তারপরও যাওয়ার জন্য মনে মনে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করল।
কতদিন সে সঞ্চিতাকে দেখে না। সেই প্রেয়সীর প্রিয় মুখটা আজ তার বার বার...