ভবন বানানোর তরিকা জেনে নিন..
লিখেছেন লিখেছেন আহমেদ নিজামী ২৫ এপ্রিল, ২০১৩, ০৫:০২:০১ সকাল
হ্যা আপানাদেরকে আমি আকাশচুম্বী অট্টালিকা বানানোর তরিকা শিখাতে চাই, না আমি প্রকোশলী নই,বিল্ডিন্গ কন্ট্রাকটর ও নই . তারপর ও একেবারে নিরেট অভিজ্ঞতা থেকে ,আশা করি কাজে লাগবে।
প্রথমেই জমি, যদি আপনি চালু মাল হন আলরেডী জানা আছে পরের জমি কি করে দখল করতে হয়,কাগজপত্র কিভাবে বানাতে হয় ,আর যদি সরকারী দলের সৈনিক তাহলে তো কথাই নেই, একধাপ এগিয়ে আছেন। অবশ্য যদি অর্ডিনারী পাবলিক হন, নো প্রবলেম । সেক্ষেত্রে আপনার কিছুটা ঘাটতি আছে সেটা একটু অন্যভাবে পুশিয়ে নিতে হবে।
এই যেমন ধরেন একগন্ডা জমি কিনে সীমানা ঠেলে ঠেলে সেইটাকে দুই গন্ডা বানাতে হবে।
এর পর হলো প্ল্যানিং, আপনার মন যেভাবে চায় সেভাবে প্ল্যান বানিয়ে দেবেন , ইন্জিয়াররা।
ধরেন আপনার মন চাইল দশতালা বিল্ডিন্গ এ সিড়ি দিবেন না,বাশের মই দিবেন। নো প্রবলেম করে দেয়া যাবে।
কি বল্লেন, ইন্জিয়ারদের যোগ্যাতা.. ।
হা হা আরে দাদা তারা তো ,বিদ্যা অর্জন করেছেন আপনাদের সেবার জন্য।
ধুর মিয়া, কি কইলেন? ইন্জিয়ারদের জবাবদিহিতা, পেশাদারিত্ব...
ভোদাই আছেন।
বাংলাদেশে সব পেশা হইলো কন্ট্রাকটিরি, টাকা কামানোর মেশিন.
যাউকগা পরের ধাপ প্ল্যান পাস করাইতে হবে, রাজউক,পরিবেশ অধিদপ্তর, ট্রাফিক ডিপার্টমেন্ট।
এখানে সব নিয়মমতো চলে,নিয়মের কোনো ব্যাত্যায় হবে না।
এরিয়া,বিল্ডিং এর সাইজ অনুযায়ী রেইট ঠিক করা আছে।মাল আর ফাইল দুইটাই জায়গা মতো জমা দিবেন পাশ হয়ে যাবে, নিশ্চিত।
আর যদি লাইনে না আসেন,তবে ইহজীবনে প্ল্যান পাস হবে না।
প্ল্যান পাস হয়ে গেছে ,বিল্ডিং ও বানিয়ে ফেলছেন, এবার ফ্লোর বিক্রির পালা।
তবে হ্যা ভালো কথা,বিল্ডিং বানানোর সময় রডের জায়গায় চাইলে বাশ ও দিতে পারেন, এতে আপনার খরচ বেশ ভালোই সাশ্রয় হবে।
আসুন এবার ফ্ল্যাট বিক্রি করা যাক, কাষ্টমার কে বুঝ দিতে হবে আমেরিকার বিল্ডিং কোড থেকে শুরু করে সারা দুনিয়ার যত কোড আছে সব মানা হইছে।(শুধু বাংলাদেশের যে বিল্ডিং কোড আছে সেটা আপনি মানেন নি।)
কি বল্লেন? বিল্ডিং ভেন্গে পড়বে বলে ভয় পচ্ছেন/
কোন সমস্যা নাই,আপনাদের বাচানোর জন্য তো মাননীয় সাংসদ রা আছেন। হে: হে: হে:
বিষয়: বিবিধ
২০২৭ বার পঠিত, ০ টি মন্তব্য
পাঠকের মন্তব্য:
মন্তব্য করতে লগইন করুন