উম্মতে মোহাম্মদীর উদ্দেশ্যচূতি, রসুলাল্লাহর কাজই তাঁর উম্মাহর কাজ
লিখেছেন মোহাম্মদ আসাদ আলী ০৭ জানুয়ারি, ২০১৪, ০৫:২৯ বিকাল
রসুলাল্লাহর ওফাতের ৬০/৭০ বছর পর্যন্ত উম্মতে মোহাম্মদী একদেহ একপ্রাণ হোয়ে সংগ্রাম চালিয়ে গেল। তারা বিশ্বের সকল জাতির মধ্যে শ্রেষ্ঠত্বের আসন লাভ কোরল। এরপর ঘোটলো এক মহা-দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। ঐ জাতি হঠাৎ তার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য ভুলে গেলো। জাতি ভুলে গেলো যে কাজের জন্য তাদেরকে সৃষ্টি করা হোয়েছে, গঠন করা হোয়েছে, প্রশিক্ষণ দেয়া হোয়েছে সেই কাজ ছেড়ে দেওয়া আল্লাহ ও তাঁর রসুলের সঙ্গে...
দুআ’র ফজিলতঃ পর্ব ২.৩
লিখেছেন ইমরান ভাই ০৭ জানুয়ারি, ২০১৪, ০১:৪৬ দুপুর
দুআ’র ফজিলতঃ পর্ব ১ দুআ’র ফজিলতঃ পর্ব ২.১ দুআ’র ফজিলতঃ পর্ব ২.২
"আলহামদুলিল্লাহ"
সলাত ও সালাম আমাদের প্রিয় খলিলুল্লাহ্ (সা) এর উপর।
আমরা ধারাবাহিক ভাবে দুআ'র সকল বিষয় গুলি জেনে আসছি। প্রত্যেকের উচিত সদা সর্বদা আল্লাহ সুবহানাহু তাআলার কাছে অন্তরের অন্তরস্থল থেকে দুআ' করা আর সেই লক্ষে আমাদের ধারাবাহিক পোস্ট......যারা পূর্বের পোস্ট ধারাবাহিক ভাবে পড়েন নাই তাদেরকে...
হৃদয়ের রক্তক্ষরন!
লিখেছেন শরফুদ্দিন আহমদ লিংকন ০৭ জানুয়ারি, ২০১৪, ০২:৪২ রাত
ইরাকী বোন ফাতিমার চিঠি বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেও সম্পূর্ন পড়তে পারিনি। বারবার চেষ্টা করেও ব্যার্থ হয়েছি।
এখন আবার হাতে আসছে আরেক নির্যাতিতা বোন ডঃ আফিয়ার চিঠি।
হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এক মুসলিম নারীর ইজ্জতের উপর হামলা করায় একটি কওমের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন। আর আজ তথাকথিত নামধারী মুসলমানদের সহায়তায় আমাদের পর্দানশীল বোনরা হচ্ছে কাফির জালিমদের ভোগের সামগ্রী।
বিশ্বের একমাত্র...
উপলব্ধি..... দুই
লিখেছেন রাবেয়া রোশনি ০৭ জানুয়ারি, ২০১৪, ১২:২৩ রাত
আমার বাসায় একটা ছোট্ট রুম আছে । যেটাকে এত দিন স্টোর রুম হিসাবে ব্যবহার করেছি । বাসার বাড়তি ফার্নিচার হতে শুরু করে হাড়ি পাতিল নতুন পুরাতন এবং যত ধরণের ভাঙ্গা চুরা অব্যবহিত সব জিনিষের জায়গা হত ওই রুমে । দিন দিন এই সব জিনিস যেন বেড়ে যাচ্ছিল । মনে হচ্ছিল ইশ এই রুমটা আর একটু বড় হলে আরও কত জিনিসের জায়গা হত । তার মাঝে কিছু দিন থেকে আলাদা একটা রুমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করতাম...
ঐ লাল সাদা জামা
লিখেছেন প্রবাসী আব্দুল্লাহ শাহীন ০৭ জানুয়ারি, ২০১৪, ১২:১০ রাত
ঐ লাল সাদা জামা
বোন ফেলানির শরীরে ছিল পরা।
ঐ লাল সাদা জামা
কাটাতারে ঝুলিয়ে রেখেছিল বিএসএফের হায়েনারা।
ঐ লাল সাদা জামা
আমাদের অন্তরের যন্ত্রণা।
ছোট্টবেলা
লিখেছেন নতুন মস ০৭ জানুয়ারি, ২০১৪, ১২:০২ রাত
'গ্রাম মানেই সবুজে
ঢাকা
আকা বাঁকা
মেঠো পথে চলা.....
ছোপ ছোপ মেঘের ভেলায়
নীল আকাশের গল্প।
রাতের আকাশ তারার ফাঁকে চাদের দেখা
কেমন আছেন ? বেঁচে আছেন তো ?
লিখেছেন দ্য স্লেভ ০৬ জানুয়ারি, ২০১৪, ১১:২২ রাত
ওহে ভ্রাতা...সুহৃদ...বোনেরা.....আছেন কেমন ? বেঁচে আছেন তো ? থাকলে আওয়াজ দেন,নইলে এই অধম ভাবতে পারে দেশের অনেক মানুষের মত,শীতের দিনের ব্যালট বাক্সের মত,জনতার আশা-আকাঙ্খার মত আপনারা নিরব হয়ে গেছেন। সেক্ষেত্রে গায়েবানা জানাজা অথবা গায়েবানা শুভেচ্ছা জানানো ছাড়া উপায় থাকবে না।
ইদানিং অবাক হওয়া ছেড়ে দিয়েছি,কারন অবাক নামক শব্দটাই অভিধান থেকে ক্রস ফায়ার হয়ে গেছে। যদিও মানুষকে পরিচালনার...
সন্ধ্যাবাতির সন্ধানে
লিখেছেন গন্ধসুধা ০৬ জানুয়ারি, ২০১৪, ১১:০৯ রাত
চোখ বন্ধ করে ঘুমের ভান ধরে থাকলেও কানটা পুরোই সজাগ নয় বছরের আসিফের।একটুও ঘুমাতে ইচ্ছে করছেনা আসিফের!মনটা পড়ে আছে পুকুরের ওপাশে বহু পুরনো তালগাছটার মাথায়।আম্মুটা যে কিনা!শুধু ঘুমাও,পড়ো,খাও,দুষ্টামি কোরনা..এছাড়া আর কোন কথাই জানেনা!এখনি আলাল আসবে..তারপর চুপিচুপি তারা একটা কাজ করবে।খুব ইম্পর্ট্যান্ট একটা কাজের প্ল্যান আছে আসিফের।তাই সকালেই আলালকে বলে রেখেছে দুপুরে খাওয়া-দাওয়ার...
ফেলানী হত্যার তিন বছর। বিচারের বাণী আজও নিভৃতে কাঁদে
লিখেছেন আজব মানুষ ০৬ জানুয়ারি, ২০১৪, ১১:০৩ রাত
২০১১ সালের জানুয়ারী মাসের মাঝামাঝি সময়ে চট্টগ্রামের কয়েকজন ব্লগার ও শোকার্ত তরুণদেরকে পুলিশের লাঠির ভয়ে রাস্তা থেকে সড়ে দাঁড়াতে হয়েছিল। তারা গিয়েছিল সেদিন চট্টগ্রামের জাকির হোসেন রোডস্থ খুলশী এলাকায় অবস্থিত ব্লাডি সংস্থা বিএসএফ’র দেশ ভারতের হাইকমিশন অফিসের সামনে মানববন্ধন করতে। কিন্তু ভারতপ্রতীম পুলিশ সেদিন দাঁড়াতে দেয়নি আমাদের। শোকে মুহ্যমান সকলের ছিল একটাই...
'আমি আল্লাহকে সব বলে দিবো!' -হে মুসলিম! কি জবাব দিবে শিশুটিকে কিয়ামতের দিন?
লিখেছেন মাই নেম ইজ খান ০৬ জানুয়ারি, ২০১৪, ১০:৪৭ রাত
গত কয়েকদিন যাবত আমি বিভিন্ন কারণে ঠিক মতো ঘুমাতে পারছিনা। এই কারণগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে ড. আফিয়া সিদ্দিকার আমেরিকারন সোলজারদের হাতে গ্রেফতারের পূর্ব পরবর্তী ছবি, ইরাক-ফিলিস্তিনের কিছু শিশু-কিশোরদের রক্তাক্ত কচি মায়াবী চেহারা আর সর্বশেষ সিরিয়ার সেই শিশুটির অভিমানী মুখাবয়ব যে কিছুদিন পূর্বে বাশার আল হাসাদ নামক হিংস্র ফেরাউনের হামলায় মারাত্মক আহত অবস্থায় হাসপাতালের...
প্রেম যেন এমনই হয়-২৮
লিখেছেন প্রগতিশীল ০৬ জানুয়ারি, ২০১৪, ১০:০১ রাত
বিয়েতে বিষন্ন বর পক্ষ। তবে কনে পক্ষও আনন্দিত নয়। তৃতীয় পক্ষ হিসেবে মনে হয় বিয়েটা না দিলেই কি নয়। যাহোক অনেক ধুমধাম করে আয়োজন করা হচ্ছিল। বিয়ের বিষন্নতার মাঝেই লিটন সাহেবের পরিবারে যোগ হল মহাআনন্দ। তার দুজন বড় ছেলে-মেয়ে তারেক আর রাইসা চলে এসেছে সপরিবারে। লিটন দম্পতির কলিজার চারটে টুকরা আজ বিয়ে উৎসবে এক হয়েছে।
এতেই খুশির অন্ত নেই সানজিদা আর লিটন সাহেবের। বিয়ে উৎসবের বোনাস...
ফিরে এসে শান্তির পথে (২য় পর্ব)
লিখেছেন আলোর আভা ০৬ জানুয়ারি, ২০১৪, ০৯:৪০ রাত
মায়ের মৃত্যু শোক কাটিয়ে শক্ত হাতে সংসারের হাল ধরার চেষ্টা করে মীনা ।পাশে থেকে দাদী বিভিন্ন পরামর্শ দীনা কাজেকর্মে মীনা কে হেল্প করে।
তবুও সবদিক সামলিয়ে সংসার পরিচালনা করতে গিয়ে এই বয়সে মীনা হিম সীম খায় ।
তবু হাল ছাড়ার মেয়ে নয় মীনা । প্রয়োজনে আমি লেখা পড়া বন্ধ করে দিব তবু ছোট ভাই বোনদের মায়ের অভাব বুঝতে দিব না ।মীনা এই দৃর সংকল্পে জাফর সাহেবের সংসার মোটামুটি ভাবে চলছিল...
ক্ষমা করিস ফেলানী
লিখেছেন মামুন সিদ্দিক ০৬ জানুয়ারি, ২০১৪, ০৮:১৬ রাত
কাল আমার বিয়ে। সারাদিন ব্যাপক খাটাখাটনিতে কেটেছে। ব্যস্ততা বলতে যা বুঝায় তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণটি হল টেনশন। কাজ কারবার যা আছে, তাতো বাবা-মা, ভাই-বোন আর আত্মীয় সজনরাই করছে। আমার আর কি কাজ, চুল কাটা, সেভা করা, অভিজ্ঞ বন্ধুদের কাছ থেকে বিড়াল মারার অভিজ্ঞাতা নেয়া এইতো। সন্ধ্যোর পর কণে পক্ষের মেয়েরা এসে গায়ে হলুদ লাগিয়ে গেছে। তাদের এবং আমার আত্মীয় সজন আর পারাপশ্বির হৈহুল্লর...
আপুর বিয়ে (গল্প নয় সত্যি ঘটনা)
লিখেছেন বাংলার দামাল সন্তান ০৬ জানুয়ারি, ২০১৪, ০৭:৩৫ সন্ধ্যা
(দয়াকরে সবাই পুরো ঘটনাটা পড়ে অবশ্যই মন্তব্য করবেন। ঘটনাটি অবশ্যই শিক্ষনীয়।)
আমার আপুর নাম- মোসাম্মৎ জান্নাতুল ফেরদাউস আক্তার পারভিন।
আমার দুলাভাইয়ের নাম মোঃ ইব্রাহীম
আমাদের গ্রাম কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গুনবতী ইউনিয়নে।
দুলাভাইদের গ্রাম- একই জেলার একই থানার চিওড়া ইউনিয়নে।
আমার আপুর বর্তমানে ৩ মেয়ে ১ছেলে, বড় মেয়ের বিয়ে হয়েছে এক বছর গত হল।
বিব্রতকর অভিজ্ঞতা
লিখেছেন শায়লা শারমিন কনিকা ০৬ জানুয়ারি, ২০১৪, ০৭:০৭ সন্ধ্যা
প্রায়ই রাস্তায় চলতে গেলে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। বিশেষ করে মেয়েদের। যেমন ভাইয়ার সাতে কোথাও যাচ্ছি, এমন সময় আশপাশের মানুষ এমন ভাবে হা করে তাকিয়ে থাকে, যেন অদ্ভুত কোন দৃশ্য তারা দেখতেছেন। একবার এমন হয়েছে, রিকশায় করে ভাইয়ার সাথে মার্কেটে যাচ্ছি, এমন সময় ভাইয়ার এক পুরনো বন্ধুর সাথে দেখা। তারপর ভাইয়া রিকশা থামালেন। ভাইয়ার বন্দু এমন মন্তব্য করসেন, যা খুবই বিব্রতকর।...